ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোঃ ইমরান মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী এম এ রকিব বুলবুলের নামে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এই প্রচারণার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
এম এ রকিব বুলবুল ঝাউগড়া ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা মৃত ফজলুল হক আকন্দ ছিলেন একজন প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব ও দানবীর। তিনি ময়মনসিংহ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন এবং নিজ এলাকায় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জমিদাতার পাশাপাশি টানা ৩৬ বছর অত্যন্ত সুনামের সাথে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পিতার সেই আদর্শ ধারণ করেই এম এ রকিব বুলবুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায় মানুষের সেবা এবং গ্রাম্য কলহ নিরসনে সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।
বুলবুল তাঁর দানকৃত জমিতে পিতার নামে ‘ঝাউগড়া দহেরপাড় ফজলুল হক আকন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ এবং ‘দহেরপাড় আকন্দবাড়ী জামে মসজিদ’ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এছাড়া মায়ের নামে একটি আধুনিক মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে তিনি জমি নির্ধারণ করেছেন। সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর এই সক্রিয় অংশগ্রহণ এলাকায় সর্বজনস্বীকৃত।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান অপপ্রচারের বিষয়ে এম এ রকিব বুলবুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন: “আমার বিরুদ্ধে কে বা কাহারা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি দীর্ঘ সময় ধরে অসংখ্য সালিশ-বৈঠক করেছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কারো দেওয়া এক কাপ চাও গ্রহণ করিনি। আমার সমাজসেবামূলক কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাব, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার করা হোক।”
ঝাউগড়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা মনে করেন, এম এ রকিব বুলবুল একজন নীতিবান ও সৎ মানুষ। যারা তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার জন্য এই ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতি তৈরি করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইসিটি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
ই.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ