ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন ও গর্ভপাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ২১ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেল ৫টায় বগুড়া জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কারাগার থেকে বেরিয়ে হিরো আলম বলেন, "সত্যের জয় সব সময়ই হয়। আমি এই মামলার শেষ দেখে ছাড়ব, কোনো আপস করব না।" তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আলম বলেন, তাকে হয়রানি করার জন্যই এই মামলা সাজানো হয়েছে। গত বুধবারই তার জামিন হয়েছিল, কিন্তু ষড়যন্ত্র করে অন্য মামলায় তাকে আরো এক সপ্তাহ আটকে রাখা হয়। সামনে বগুড়া উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণার কারণেই এই ‘ষড়যন্ত্র’ করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
কারাগারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, ২০১৯ সালের তুলনায় বর্তমানে জেলখানার পরিবেশ ও কর্মকর্তাদের ব্যবহার অনেক ভালো। বিশেষ করে জেলারের ব্যবহারের প্রশংসা করতেই হয়। তবে জেলখানার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রতিদিন ডাল ও সবজির বদলে খাবারে বৈচিত্র্য আনার পরামর্শ দেন হিরো আলম। কারাগারের ভেতরে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে হিরো আলম বলেন, ভেতরে অনেক মানুষ মিথ্যা মামলায় ফেঁসে বছরের পর বছর হাজতবাস করছেন। সঠিক তদন্ত ছাড়াই এভাবে আটকে রাখা একটি পরিবারের জন্য ধ্বংসাত্মক। কারাগারে থাকাকালীন আলোচিত যুবলীগ নেত্রী পাপিয়া ও তার স্বামী সুমন, রাজশাহীর সাবেক এমপি এনামুল হক এবং সাবেক ওসি প্রদীপের দেখা পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে হিরো আলমের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে গত বছরের ২১ এপ্রিল মামলাটি করা হয়েছিল। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়া শহরের শাজাহানপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ