ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোঃ বাপ্পি শেখ, ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পেশাদার সাংবাদিক আশরাফুল ইসলামকে প্রায় ১৪ ঘণ্টা থানায় আটকে রাখার পর একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশের এমন আচরণে জেলার গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
আশরাফুল ইসলাম ‘বাংলা এডিশন’-এর ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি এবং জেলা মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক। পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১২টার দিকে শৈলকুপার বড়দা ব্রিজ এলাকা থেকে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। স্ত্রী শান্তা খাতুনের অভিযোগ, "ওসি সাহেব চা খাবেন"—এমন কথা বলে পুলিশ আশরাফুলকে ডেকে নেয়। দীর্ঘ সময় আটকে রাখার পর তাঁকে একটি হত্যা মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলার বাদী হারুন অর রশিদ দাবি করেছেন, আশরাফুল এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। বাদী জানান, তিনি ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দিলেও সেখানে আশরাফুলের নাম ছিল না। এমনকি নিহত ব্যক্তি আশরাফুলের নিকটাত্মীয় বলেও পরিবার দাবি করেছে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁকে আটক রাখা হয়েছিল এবং পরে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোন মামলায় এবং কী তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
বিনা অপরাধে একজন পেশাদার সাংবাদিককে হয়রানিমূলকভাবে হত্যা মামলায় জড়ানোকে আইনের চরম অপপ্রয়োগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। তাঁরা অবিলম্বে আশরাফুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ