ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
তারেক হায়দার, কক্সবাজার: দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা কক্সবাজারে পৃথক দুটি বিশাল নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে এক নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ১১ দলীয় জোটের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মহেশখালী ও কক্সবাজার শহরে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি পর্যটন শিল্পের বিকাশ, শিক্ষা সংস্কার এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেন।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় মহেশখালীর নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জনসভায় বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান। এরপর হেলিকপ্টারযোগে দুপুর পৌনে ১টায় কক্সবাজার পৌঁছান এবং শহরের বাহারছড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা (গোলচত্বর) মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেন। জনসভায় উপস্থিত জনসমুদ্রকে তিনি ‘৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতিচ্ছবি’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
জনসভায় কক্সবাজারের সম্ভাবনা নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, দুর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের কারণে কক্সবাজার আজও সিঙ্গাপুর হতে পারেনি। তারা জনগণের ভাগ্যোন্নয়নের চেয়ে নিজেদের পকেট ভরতে ব্যস্ত ছিল। তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন যে, দেশ থেকে পাচার হওয়া ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচারকারীদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে বের করে আনা হবে এবং তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়ে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
নারীদের মর্যাদা ও অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জনগণ এক নতুন বাংলাদেশ পাবে যেখানে মায়েদের মাথার ওপর রেখে সম্মান দেওয়া হবে। যারা নারীদের সম্মান করতে জানে না, তারা আল্লাহর কাছ থেকে সম্মান পাবে না। এ সময় তিনি নারীদের সাইবার বুলিং ও সামাজিক অবমাননার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
কক্সবাজারের উন্নয়নে ১১ দলীয় জোটের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা হবে যা মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। কক্সবাজারকে একটি নিরাপদ পর্যটন জোন হিসেবে গড়ে তোলা, মহেশখালীকে স্মার্ট জোন করা এবং লবণ শিল্পের আধুনিকায়নের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাগপা'র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতুসহ জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ