ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী) খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে রাজধানীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং' বা ভোট কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে তাদের বিচারের দাবি জানায় দলটি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আয়োজনে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।
মিছিল-পূর্ব সমাবেশে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা অত্যন্ত উৎসাহ নিয়ে ভোট দিলেও ফলাফল ঘোষণা ও গণনার প্রক্রিয়া ছিল পুরোপুরি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভরা। রাত ১০টার পর নির্বাচন সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়ে কৌশলে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন:
রিজওয়ানা হাসানের স্বীকারোক্তি: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বিভিন্ন মিডিয়ায় উগ্রবাদীদের মেইনস্ট্রিমে আসতে না দেওয়ার যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রমাণ করে তিনি পরিকল্পিতভাবে জামায়াতকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে বাধা দিয়েছেন।
ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকা: খলিলুর রহমানকে 'লন্ডন কনসপিরেসি'র হোতা আখ্যা দিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, তিনি বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে পুরস্কার পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং: জামায়াত ১৭০টির বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ইঞ্জিনিয়ারিং করে তা ১০০-এর নিচে নামানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ফলাফল শিটে টেম্পারিং এবং এজেন্টদের কাছ থেকে আগাম সই নেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
সমাবেশ থেকে জামায়াত নেতারা দুই সাবেক উপদেষ্টাসহ নির্বাচন কারচুপির ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। গোলাম পরওয়ার স্পষ্ট করেন যে, জামায়াত মব পলিটিক্স বা সহিংসতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই চক্রান্তের বিচার চায়।
বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। মিছিলটি বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে পল্টন ও নাইটিঙ্গেল মোড় প্রদক্ষিণ করে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ