ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তেল বিক্রির ওপর সর্বোচ্চ সীমা (রেশনিং) নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিপিসি জানায়, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এবং মজুত নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। এই বাড়তি চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ও মজুত সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রসিদ বাধ্যতামূলক: ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তাকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে রসিদ দিতে হবে।
পূর্ববর্তী রসিদ প্রদর্শন: প্রতিবার তেল কেনার সময় গ্রাহককে আগের কেনাকাটার রসিদ প্রদর্শন করতে হবে।
ডিলারদের তদারকি: ফিলিং স্টেশনগুলো তাদের মজুত ও বিক্রির তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে তেল সংগ্রহ করবে। কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল ডিলারদের সরবরাহ করা হবে না।
বিপিসি আরও জানায়, কৃত্রিম সংকট রোধ এবং সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এই রেশনিং ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা বহাল থাকবে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ