সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের খবরটি ভুয়া: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের খবরটি ভুয়া: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পরিপত্রকে সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১ এপ্রিল থেকে ০৫.০০.০০০০.১১০.২২.০৪৫.২৬.১২০ নম্বর স্মারকে যে পত্রটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়নি। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কাউকে কান না দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে। এর অংশ হিসেবে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ এবং অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি সরকারের আলোচনায় রয়েছে। 

তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার কথা থাকলেও তার আগেই একটি ভুয়া প্রজ্ঞাপন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ওই ভুয়া পত্রে দাবি করা হয়েছিল যে, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সপ্তাহে তিন দিন (রবি, সোম ও মঙ্গলবার) অফিস করবেন এবং বাকি দুই দিন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) ঘরে বসে কাজ করবেন। 

এছাড়া অফিসের সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করার কথা সেখানে উল্লেখ ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, দাপ্তরিক কোনো সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই এ ধরনের প্রচার সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে জরুরি পরিষেবা দানকারী সংস্থাসমূহ যেমন হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ আগের মতোই নিয়মিত বিধি মোতাবেক পরিচালিত হবে।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন