ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ঢাকায় কর্মরত ৩০টি দেশের রাষ্ট্রদূত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। তারা জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
এসময় সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী কূটনীতিকদের জাদুঘরের মূল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অবহিত করেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন।
দুই ঘণ্টার দীর্ঘ পরিদর্শনের শুরুতে কূটনীতিকরা শহীদ প্রায় ৪ হাজার মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
ফারুকী বলেন, জুলাই জাদুঘর অন্যান্য দেশের অনুরূপ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। জাদুঘরের মূল উদ্দেশ্য হলো শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের যেকোনো জায়গায় দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ করা।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেন, জাদুঘরটি শেখ হাসিনার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রামের প্রতিফলন। এটি জুলাইয়ের বিদ্রোহের ৩৬ দিনের ক্লাইম্যাক্স প্রদর্শন করে, একই সঙ্গে বছরের বছরের দুঃশাসনের উপাদানগুলোও তুলে ধরে। তিনি বলেন, ইতিহাসের আসল পাঠ হলো পুনরাবৃত্তি না হওয়া নিশ্চিত করা।
জাদুঘরের চিফ কিউরেটর তানজিম ওয়াহাব কূটনীতিক ও অতিথিদের জাদুঘরের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন।
বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করতে পেরে আমি আনন্দিত। ইতিহাস বোঝা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কীভাবে বিপ্লব ঘটে এবং বাংলাদেশে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের উৎপত্তি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা অনুপ্রেরণামূলকভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।
অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক কোরের বিশিষ্ট সদস্যরা ছিলেন আলজেরিয়া, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ডেনমার্ক, মিশর, ফ্রান্স, ইরান, ইরাক, ইতালি, কসোভো, লিবিয়া, মরক্কো, নেপাল, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্পেন, তুরস্ক, মার্কিন দূতাবাস, চীন, জাপান ও ব্রুনাই’র প্রতিনিধি।
এছাড়া আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, বিমস্টেক, সিরডাপ, এফএও, আইএফডিসি, আইওএম, ইউনেস্কো, ইউএনএইচসিআর, ডব্লিউএফপি, ইউএনওপিএস, এসডিজি বিষয়ক সচিব এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ