ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
হাবিবুর রহমান হাবিব, পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি: পবিত্র রমজান শুরু হতে না হতেই রংপুরের পীরগাছায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, সবজি ও ফলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ সবজির দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ ও নিম্নবিত্ত ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের আগে ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩৫ টাকার শসা বেড়ে হয়েছে ৭০ টাকা এবং ক্ষিরা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। একইভাবে ২৫-৩০ টাকার বেগুন এক লাফে ৭০-৮০ টাকায় ঠেকেছে। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে। সবজির পাশাপাশি কলার দামও বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। মানভেদে প্রতি হালি কলা এখন ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফলের বাজারেও চড়া দাম লক্ষ্য করা গেছে। আপেল কেজিপ্রতি ৩৬০-৪০০ টাকা, আঙুর ৪৫০-৬০০ টাকা এবং খেজুর মানভেদে ২০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আনার, মালটা ও পেয়ারার দামও সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
মাছ ও মাংসের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। বাজারে পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া ২০০-২৫০ টাকা এবং রুই-কাতলা ৩২০-৪২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
পাওটানা হাটে বাজার করতে আসা ক্রেতা আব্দুর রউফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আয় বাড়েনি কিন্তু খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোয় আমরা মধ্যবিত্তরা সংকটে পড়েছি।" বিক্রেতারা দাবি করছেন, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় তাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ বসাক বলেন, "রমজান উপলক্ষে বাজার পরিস্থিতি আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে যেন কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করেন। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।"
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ