ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আব্দুল্লাহ আল মামুন, মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: দক্ষিণা হাওয়ায় বসন্তের ছোঁয়া লাগতেই যশোরের মণিরামপুর উপজেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আম্র মুকুলের মিষ্টি সুবাস। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই এখন আমগাছে সবুজাভ-হলুদ মুকুলের সমারোহ। মুকুলের এই বিপুল সমারোহ দেখে চলতি মৌসুমে আমের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন বুনছেন স্থানীয় কৃষকরা।
মণিরামপুরের কুলটিয়া, মশ্বিমনগর, দুর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন এবং পৌর শহরের প্রতিটি বাড়ির আঙিনা ও বাণিজ্যিক বাগানগুলোতে এখন মৌমাছির গুঞ্জন। অনুকূল আবহাওয়া এবং শীতের প্রকোপ কম থাকায় এবার নির্ধারিত সময়ের আগেই গাছগুলোতে মুকুল আসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে খিরসাপাত, ল্যাংড়া, হিমসাগর ও আম্রপালি জাতের গাছগুলোতে মুকুলের আধিক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয় আমচাষিরা জানান, এখন পর্যন্ত আবহাওয়া বেশ চমৎকার। যদি বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন—শিলাবৃষ্টি বা কালবৈশাখী ঝড় না হয়, তবে এবার গত কয়েক বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে আমের উৎপাদন। বাগান মালিকরা এখন মুকুল টিকিয়ে রাখতে নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সম্রাট হোসেন এ বিষয়ে বলেন, “মণিরামপুরের মাটি ও জলবায়ু আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বসন্তের শুরুতেই যে পরিমাণ মুকুল এসেছে, তা আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার উপজেলায় আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশা করছি, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, মুকুল আসার এই সময়ে পোকার আক্রমণ রোধে সঠিক তদারকি প্রয়োজন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মণিরামপুরের বাজারগুলো সোনালি আমে ভরে উঠবে এবং কৃষকরা লাভবান হবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সবার।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ