হাজী শরীয়তউল্লাহর আদর্শে শিবচরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ব্রতী পীরজাদা হানজালা

হাজী শরীয়তউল্লাহর আদর্শে শিবচরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ব্রতী পীরজাদা হানজালা

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাদারীপুর: ঐতিহাসিক ফরায়েজী আন্দোলনের অগ্রদূত হাজী শরীয়তউল্লাহর উত্তরসূরী পীরজাদা হানজালা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শিবচরে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন কেবল একজন জনপ্রতিনিধি নন, বরং ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

এলাকাবাসীর মতে, পীরজাদা হানজালার প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলিত হচ্ছে তার মহান পূর্বপুরুষ হাজী শরীয়তউল্লাহর আদর্শ। শত শত বছর আগে যেভাবে হাজী শরীয়তউল্লাহ শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে লড়াই করেছিলেন, আজ ঠিক সেভাবেই শিবচরের মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ব্রতী হয়েছেন তার এই বংশধর। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই পীরজাদা হানজালা মাদক, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন।

নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে তিনি সরাসরি মাঠে নেমে পড়েছেন এসব সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে। তার কঠোর অবস্থানের কারণে শিবচরের সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে দুর্নীতির আখড়াগুলোতে তিনি যে অভিযান শুরু করেছেন, তা সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। শিবচরের প্রবীণ নাগরিকরা বলছেন, হানজালার ধমনীতে হাজী শরীয়তউল্লাহর রক্ত বইছে বলেই তিনি অন্যায়ের সঙ্গে আপস করছেন না। তিনি যেভাবে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন, তাতে এলাকাবাসী একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা হানজালা জানিয়েছেন, ক্ষমতার মোহে নয় বরং সেবার ব্রত নিয়ে তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। তিনি বলেন, "আমার পূর্বপুরুষরা এই জনপদের মানুষের মুক্তির জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি কেবল তাদের সেই আদর্শের মশালটি বহন করছি। যতক্ষণ শরীরে রক্ত আছে, শিবচরের মাটিতে কোনো জুলুম ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।"

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন