৩০০ প্রকাশনীকে বাদ রেখেই শুরু হচ্ছে একুশে বইমেলা

৩০০ প্রকাশনীকে বাদ রেখেই শুরু হচ্ছে একুশে বইমেলা

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে “অমর একুশে বইমেলা-২০২৬”, যেখানে দেশের বড় বড় প্রকাশনীসহ সাড়ে ৩০০ প্রকাশক অংশ নিচ্ছেন না। ‘প্রকাশক ঐক্য’ নামে নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া প্রকাশকেরা দাবি করেছেন, তাদের বাদ দিয়েই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

বাংলা একাডেমি এই বিষয়ে দায় নিচ্ছে না। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য, সরকার ও প্রকাশকদের যৌথ সিদ্ধান্তে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং তারা শুধু নির্দেশ পালন করছে। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, “প্রকাশকদের মতামত নিয়েই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলা একাডেমি শুধু নির্দেশনা পালন করবে; সরকার যেভাবে বলবে সেভাবেই মেলা হবে।”

‘মাতৃভাষা প্রকাশ’-এর স্বত্বাধিকারী নেছার উদ্দিন আইয়ুব জানান, বাপুস সরকারের সঙ্গে সহযোগিতায় মেলা করছে। যারা অংশ নিচ্ছে না, তাদেরও পক্ষ হিসেবে কথা বলা হয়েছে। তবে সরকার মেলা করবে—এবং বাপুসের দায়িত্ব এটি সমর্থন করা।

এবারের মেলায় স্টল নিয়েছে মুহম্মদ পাবলিকেশনস, হাদিস ফাইন্ডেশন বাংলাদেশ, সোলেমানিয়া বুক হাউস, আলিফ পাবলিকেশন, ইসলামিয়া চিশতিয়া পাবলিকেশন, ইত্তিহাদ পাবলিকেশন, ওয়াফি পাবলিশন, তওহিদ প্রকাশন, দারুত তাহলীল, দারুল ইলম পাবলিকেশনসহ কয়েকশ প্রকাশনী। তবে সৃজনশীল সাড়ে ৩০০ প্রকাশনী অংশ নিচ্ছে না।

জানা গেছে, প্রায় ৪০০ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান স্টলের ভাড়া পরিশোধ করেছে, আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। ইতোমধ্যে ৫১৫ ইউনিট স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে প্রকাশকদের মধ্যে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

যদিও প্রকাশিত তালিকায় ২৯৯টি প্রকাশনীর নাম রয়েছে; এর মধ্যে ১৫০-এর বেশি বাপুসের সদস্য নন। আর ৭০-এর বেশি প্রকাশক গত বইমেলায় অংশ নেননি এবং কেউ কেউ আগে কখনও বইমেলায় অংশ নেননি।


‘প্রকাশক ঐক্য’ দাবী করেছে, বইমেলা স্থগিত করে ঈদুল ফিতরের পর সকল প্রকাশকের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হোক, যাতে ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ থাকে।


আই.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন