ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবরের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তার পরিবারের একাধিক সদস্য নিহতের তথ্য সামনে এসেছে। রোববার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামলায় তার এক পুত্রবধূও প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ফার্স নিউজ এজেন্সি।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন মি. খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে দেশটিতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানে খামেনির কার্যালয় ও বাসভবন লক্ষ্য করে চালানো শক্তিশালী বিমান হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে, বিবিসির মিডিয়া পার্টনার সিবিএস নিউজ গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রের বরাতে দাবি করেছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর (টার্গেটেড) হামলায় কমপক্ষে ৪০ জন উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তবে এই কর্মকর্তারা সবাই একই স্থানে ছিলেন নাকি পৃথক অবস্থানে থেকে হামলার শিকার হয়েছেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিবিএস নিউজ আরও জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে খামেনির পাশাপাশি ইরানের বিপ্লবী গার্ডের একাধিক শীর্ষ কমান্ডার এবং দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীও রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই অভিযানকে সফল উল্লেখ করে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করেই এই ‘ডিক্যাপিটেশন’ স্ট্রাইক চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক প্রতিক্রিয়ায় খামেনির মৃত্যুকে ‘ন্যায়বিচার’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এর মাধ্যমে ইরানের সাধারণ মানুষের সামনে মুক্তির নতুন পথ উন্মোচিত হতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ইরান এই হামলার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ