ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ঘূর্ণিঝড় হ্যারির কারণে মধ্য ভূমধ্যসাগরে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ১,০০০ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে ইতালিভিত্তিক এনজিও মেডিটারেনিয়া সেভিং হিউম্যানস।
এনজিওটি জানিয়েছে, লিবিয়া ও তিউনিসিয়ার শরণার্থী নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া সাক্ষ্য অনুযায়ী, তিউনিসিয়ার স্ফাক্স শহরের উপকূল থেকে একাধিক নৌকা সমুদ্রে ছেড়ে যায়। এসব নৌকায় নারী ও শিশুসহ প্রায় ৩৮০ জন যাত্রী ছিল। তবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত কোনোটিই উদ্ধার হয়নি এবং কোনো নিশ্চিত উদ্ধার অভিযানও রিপোর্ট করা হয়নি।
সোমবার মেডিটারেনিয়া সেভিং হিউম্যানসের প্রেসিডেন্ট লরা মারমোরালে এক বিবৃতিতে বলেছেন, মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথে সম্প্রতি বছরের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডির চিত্র ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অথচ এ ঘটনায় ইতালি ও মাল্টার সরকার নীরব রয়েছে এবং কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
তিউনিসিয়ার অভিবাসী সম্প্রদায়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ জানুয়ারির পর স্ফাক্সের আশপাশের অনানুষ্ঠানিক শিবিরগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর চাপ বাড়ে এবং কিছু এলাকায় সৈকত নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়। এর ফলে বহু নৌকা সমুদ্রে ছেড়ে যায়, তবে অধিকাংশই আর ফিরে আসেনি।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, এক মানবপাচারকারী একাই ৫০-৫৫ জন করে যাত্রী নিয়ে পাঁচটি নৌকা পাঠিয়েছিল। আরও কিছু নৌকা স্ফাক্সের দক্ষিণ উপকূল থেকে ছেড়ে যায়। তবে ২২ জানুয়ারি কেবল একটি নৌকা ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। সেই নৌকায় একজন নিহত ছিলেন এবং এক বছরের যমজ শিশু সমুদ্রে নিখোঁজ হয়ে গেছে বলে জানা যায়।
এনজিওটি আরও জানিয়েছে, সম্প্রতি মাল্টা কর্তৃপক্ষ সমুদ্রে ভাসমান ডজনখানেক মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে এরপর ইউরোপীয় সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ