আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভবিষ্যতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো ‘দুঃসাহসিক পদক্ষেপ’ নেওয়া হলে তার জবাব হবে ‘অত্যন্ত বিস্তৃত, বিপজ্জনক, সুদূরপ্রসারী ও বেদনাদায়ক’—এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। রোববার (১০ মে) পাকিস্তানের জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (GHQ)-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া সংঘাতের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাকিস্তান সরকার এই সময়কালকে (২২ এপ্রিলের পেহেলগাম হামলা থেকে ১০ মে পর্যন্ত) ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। আসিম মুনির দাবি করেন, শত্রুপক্ষ পাকিস্তানের দৃঢ়তা পরীক্ষা করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পাকিস্তান সামরিক সক্ষমতা দিয়ে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে।
আসিম মুনির তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের শত্রুদের জানা উচিত, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো ভুল পদক্ষেপ নেওয়া হলে যুদ্ধের প্রভাব কোনো নির্দিষ্ট সীমানায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ ও শত্রুর জন্য চরম বেদনাদায়ক।” তিনি আরও যোগ করেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী কখনও শত্রুর শক্তির আধিপত্যে ভয় পায়নি এবং ভবিষ্যতেও পাবে না।
বক্তব্যে তিনি ২০০১, ২০০৮, ২০১৬ ও ২০১৯ সালের বিভিন্ন ঘটনাকে ভারতের ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ বলে দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, ভারত অতীতেও ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অতিরঞ্জিত প্রচারণার মাধ্যমে পাকিস্তানের ওপর কূটনৈতিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, ভারত আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য বদলাতে চেয়েছিল, কিন্তু পাকিস্তান সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে।
আসিম মুনির ‘মারকা-ই-হক’-কে কেবল প্রচলিত যুদ্ধ নয়, বরং দুই মতাদর্শের লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “আল্লাহর রহমতে এই লড়াইয়ে সত্যের জয় এবং মিথ্যার পরাজয় হয়েছে।” অনুষ্ঠানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধু এবং নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ