ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোঃ সোহেল রানা, বরগুনা: নতুন সরকার গঠিত হলেও অপূর্ণই রয়ে গেল উপকূলীয় জেলা বরগুনার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। জাতীয় সংসদের বরগুনা-১ ও বরগুনা-২ আসন নিয়ে গঠিত এই জেলার কোনো প্রতিনিধি মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষ করে বরগুনা-২ আসন থেকে চার চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রভাবশালী নেতা আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম মনিকে ঘিরে জেলাবাসীর বড় আশা ছিল। রাজপথের এই লড়াকু সৈনিক দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও এবার মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর কোনো পদই পাননি। অথচ তাঁর হাত ধরে বেতাগীসহ পুরো জেলায় বিএনপির একটি বিশাল ভোট ব্যাংক তৈরি হয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশের দাবি, নূরুল ইসলাম মনি একজন অভিজ্ঞ এবং জননন্দিত নেতা। তাঁর শাসন আমলে এলাকায় শান্তি ও স্বস্তি ফিরবে—এমনটাই আশা ছিল সাধারণ মানুষের। কিন্তু টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও কেন তাঁকে উপমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হলো না, তা নিয়ে খোদ বিএনপির ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে।
উপকূলীয় জেলা হিসেবে বরগুনা এমনিতেই ভৌগোলিক ও অবকাঠামোগতভাবে নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার। স্থানীয়দের মতে, মন্ত্রিসভায় জেলার প্রতিনিধিত্ব না থাকলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়। বরগুনার সর্বসাধারণের প্রত্যাশা ছিল, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ঘোচাতে এবার অন্তত একজন মন্ত্রী পাবে এই জেলা। কিন্তু বর্তমান মন্ত্রিসভায় কারো নাম না থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ চায়ের কাপে এখন বইছে সমালোচনার ঝড়।
সব মিলিয়ে, নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলেও বরগুনার জনগণের ভাগ্যের চাকা যেন সেই পুরনো বৃত্তেই আটকে রইল। তাদের দাবি, আগামীতে যেন জেলার যোগ্য নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ