ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, তাই কৃষকদের ভাগ্য বদলানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে কৃষক কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলেন, “প্রকৃত কৃষকরা যেন সার, বীজ, কীটনাশক এবং সরকারি আর্থিক সহায়তা কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানি ছাড়াই সরাসরি পান, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, সরকারি সুবিধার সুফল যেন সরাসরি প্রান্তিক কৃষকের হাতে পৌঁছায়, সেখানে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
আজ পবিত্র শবেকদরের সরকারি ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করেন। বেলা ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে যান এবং ‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে গঠিত কমিটির কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেন। সংস্কার ও জনসেবার কাজে গতি ফেরাতে তাঁর এই সক্রিয় অবস্থান কর্মকর্তাদের মাঝেও উদ্দীপনা তৈরি করেছে।
এদিন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। সাক্ষাৎ শেষে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মহানগর ঢাকা নিয়ে খুবই সিরিয়াস। ঢাকার কোথায় কী কাজ বাকি আছে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে কী করণীয়, সে সম্পর্কে তিনি নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।”
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকাকে একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন মহানগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দুই সিটি করপোরেশনকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। নগরবাসীকে উন্নত সেবা প্রদান এবং যানজট ও দূষণমুক্ত ঢাকা গড়তে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দেন তিনি।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ