প্রথমে মালয়েশিয়া ও পরে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। সফরসূচি অনুযায়ী, ২২ জুন পুত্রজায়ায় তাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হবে। এ সময় দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। এছাড়া দেশটির রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনে আলমারহুম সুলতান ইসকান্দারের সঙ্গেও তার সাক্ষাতের কথা রয়েছে। বন্দর ব্যবস্থাপনা, এভিয়েশন ও জ্বালানি খাতের শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে।
২২ জুন চীন পৌঁছানোর পর ২৩ জুন দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ডব্লিউইএফ-এর ১৭তম বার্ষিক বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন আ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক একটি সেশনে অংশ নেবেন। চীন সফরকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে প্রায় ১৫টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাই প্রাধান্য পাবে। আলোচনার সম্ভাব্য বিষয়গুলো হলো:
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যান (ইভি) শিল্পে চীনা বিনিয়োগ। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও যমুনা নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণ। প্রায় ৪০ বিলিয়ন টাকার অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প ও চীনা মুদ্রায় বন্ড ইস্যু। দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও ব্যাংক স্থাপন সংক্রান্ত আলোচনা। বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্ভাবনা।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা একটি বিশেষ ফ্লাইটে ২১ জুন ঢাকা ত্যাগ করবেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে সফরসূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি, তবে কূটনৈতিক মহলে এই সফরকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জান্নাত সকালবেলা
|