ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকার গঠন করা হয়েছে। ১৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরিকল্পনার আওতায় এই সরকার গঠিত হয়।
নবগঠিত এই সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ–পরবর্তী অন্তর্বর্তী সময়ে এই প্রশাসন গাজার দায়িত্ব পালন করবে। অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতির নাজুক দ্বিতীয় ধাপ এগিয়ে নিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
‘ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক গভর্নমেন্ট’ নামে পরিচিত এই কাঠামোর আনুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা। এটি একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবে, যার মূল লক্ষ্য দীর্ঘ যুদ্ধের পর গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।
ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, এই সরকার একটি আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধায়ক কাঠামোর অধীনে কাজ করবে, যার নাম বোর্ড অব পিস। এই বোর্ড গাজার প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে। ট্রাম্প নিজেই বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
মিসর, কাতার ও তুরস্কের যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, ১৫ সদস্যের এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন আলি শাথ, যিনি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সাবেক উপমন্ত্রী এবং একজন টেকনোক্র্যাট হিসেবেই পরিচিত।
তবে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক বোর্ড ফিলিস্তিনিদের আত্মশাসনের ধারণাকে দুর্বল করতে পারে। তাদের মতে, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের স্পষ্ট রূপরেখা না থাকলে এই অন্তর্বর্তী প্রশাসন স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেতে ব্যর্থ হতে পারে।
মন্তব্য করুন