দীপ্তির জন্মের ৬ বছর আগেই এসএসসি পাশ করেছেন স্বামী
আজ সোমবার (৮ জুন) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিটে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘সামাজিক মাধ্যম ট্রেন্ডিং, ভাইরাল ডায়েরি ও নেটিজেন রিঅ্যাকশন’ এবং ‘আধুনিক রিলেশনশিপ মনস্তত্ত্ব, সাইবার ট্রোলিং ও অফবিট জীবনধারা উইং’ বিভাগের বিশেষ যৌথ বুলেটিংয়ে দীপ্তি ও তাঁর স্বামীর এই ভাইরাল সংবাদের খুঁটিনাটি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
ভাইরাল হওয়া তথ্য অনুযায়ী, দীপ্তির বর্তমান বয়স যখন কেবল কৈশোর বা তরুণীর কোঠায়, তখন তাঁর স্বামীর বয়স হিসাব করলে দেখা যায় তিনি নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে বা তারও আগে এসএসসি সম্পন্ন করেছেন। সহজ কথায়, দীপ্তির মা-বাবা যখন দীপ্তির জন্মের পরিকল্পনাও করেননি বা দীপ্তি যখন মায়ের গর্ভেই আসেননি, তাঁরও ৬ বছর আগে তাঁর স্বামী পরীক্ষার হল থেকে এসএসসির সার্টিফিকেট পকেটে পুরেছেন। এই রূঢ় ও মজার বাস্তবতার কথাটি দম্পতি নিজেই এক আড্ডায় বা ভিডিওতে প্রকাশ করার পর থেকেই নেটিজেনরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন।
এই খবরটি ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কমেন্ট বক্সে রসাত্মক মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। অনেকেই মজা করে লিখেছেন, “আমরা যখন সিঙ্গেল ঘুরে বেড়াচ্ছি, তখন আমাদের ভবিষ্যৎ বউ হয়তো এখনো জন্মই নেয়নি!” আবার অনেক তরুণ মন্তব্য করেছেন, “আজ থেকে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে হবে, কারণ ভালো করে ক্যারিয়ার না গড়লে দীপ্তির মতো পাত্রী পাওয়া অসম্ভব।” তবে রসাত্মক ট্রোলিংয়ের পাশাপাশি একদল সমাজ সচেতন মানুষ এই দম্পতির পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের মতে, দুজনের আইনি বয়স যদি বিয়ের উপযুক্ত হয়ে থাকে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া চমৎকার হয়, তবে বাইরের মানুষের এখানে নাক গলানোর বা ট্রোল করার কোনো অধিকার নেই।
বর্তমান যুগে এসেও আমাদের সমাজে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের বড় ব্যবধান থাকলে তা নিয়ে বাঁকা চোখে তাকানোর একটি পুরোনো মানসিকতা রয়ে গেছে। তবে আধুনিক লাইফস্টাইল গবেষকদের মতে, দাম্পত্য জীবনে বয়সের ব্যবধানের চেয়েও বেশি জরুরি হলো একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, আর্থিক সচ্ছলতা এবং মানসিক পরিপক্বতা। দীপ্তি ও তাঁর স্বামীর এই ভাইরাল গল্পটি প্রমাণ করে যে, অতীত জীবনের শিক্ষার বছর বা বয়সের খাতা যেখানেই থাকুক না কেন, বর্তমান সময়ে দুজনে একসাথে সুখে শান্তিতে সংসার করাই একটি সফল বিয়ের আসল সার্থকতা।
জান্নাত সকালবেলা
|