দেবীগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের এক মাস: থমকে আছে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান

দেবীগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের এক মাস: থমকে আছে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান

আব্দুল মালেক, দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের এক মাস অতিবাহিত হলেও খাস জমিতে স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনার পরও উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থবির হয়ে থাকায় স্থানীয়দের মাঝে নানা গুঞ্জন ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৯ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সোনাহার ইউনিয়নের সোনাহার মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের ২৭২১ নম্বর দাগের ২২ শতাংশ জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই জমিতে ১৯ জন ব্যক্তি অবৈধভাবে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে দখল করে রেখেছেন বলে তদন্তে উঠে আসে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে নিয়োগের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো শুরু হয়নি কোনো অভিযান।

 এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ হাটের হাই স্কুল মোড় থেকে মাংস শেড পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ দখলদারদের ওপর জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) এই জরিপ প্রতিবেদন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রেরণ করলে তার ভিত্তিতেই ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

উচ্ছেদ অভিযান বিলম্বিত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন এবং বর্তমানে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান। অন্যদিকে, দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, "জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকেই এই অভিযান পরিচালিত হবে।"

উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে প্রশাসনের এমন ঢিলেঢালাভাবে দায়িত্ব পালনে জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি উদ্ধার করা হোক।

এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন