শুধু বয়স্করা নন, বর্তমান সময়ে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে প্রায় সব বয়সীদের মধ্যেই গাঁটে ব্যথার সমস্যা দেখা যাচ্ছে। শরীরে ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি-এর অভাব, শরীরচর্চার অনীহা এবং পুষ্টিহীনতা এই সমস্যার অন্যতম কারণ। তবে কিছু সচেতনতা ও ঘরোয়া উপায়ে এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
গাঁটে ব্যথা কমাতে প্রথমেই খাদ্যতালিকা থেকে অতিরিক্ত লবণ বাদ দিতে হবে। কাঁচা লবণ এবং জাংক ফুড এই ধরনের ব্যথা আরও বাড়িয়ে দেয়। হাড়ের সংযোগস্থলগুলোকে সচল রাখতে নিয়মিত ঘি, অলিভ অয়েল ও তিল জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় যোগ করা প্রয়োজন।
ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিচের তিনটি অভ্যাস দ্রুত ত্যাগ করা জরুরি বাসি ও শুকনো খাবার খাওয়া। শারীরিক সক্ষমতার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত এক্সারসাইজ করা। অতিরিক্ত রাত জেগে থাকা।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, রান্নাঘরে ব্যবহৃত কিছু তেল ব্যথার স্থানে মালিশ করলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। এর মধ্যে তিলের তেল, সরিষার তেল এবং ক্যাসটর অয়েল উল্লেখযোগ্য। নিয়মিত মালিশ করলে রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসের সমস্যাও অনেকটাই কমে আসে।
তিনটি বিশেষ ভেষজ নিয়মিত সেবনে গাঁটে ব্যথার উপশম হতে পারে: ১. অশ্বগন্ধা ২. হলুদ ৩. আদা
জীবনযাত্রার সামান্য পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক এই সমাধানগুলো দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে সহায়ক হতে পারে।