আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ শতাংশ নারী এবং ৪০ শতাংশ পুরুষ। প্রায় ৯৮ শতাংশ রোগীই চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আগে তীব্র জ্বরে ভুগেছেন। উপসর্গ: সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ রোগীর শরীরের গিঁটে বা জয়েন্টে তীব্র ব্যথা ছিল। এছাড়া ৭১ শতাংশের অস্থিসন্ধিতে দুলুনি ও স্পর্শকাতরতা পাওয়া গেছে। অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে ছিল পেশি ব্যথা (৫৯%), ফুসকুড়ি (৫৩%) এবং বমি (৪২%)। আক্রান্তদের ৭০ শতাংশই চলাফেরা ও দৈনন্দিন কাজকর্মে মারাত্মক বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। প্রায় ২২ শতাংশ রোগী দীর্ঘসময় শয্যাশায়ী থাকতে বাধ্য হন। রোগটি নিয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ রোগী মাঝারি থেকে তীব্র বিষণ্নতায় ভুগেছেন।
২০১৭ সালের পর ২০২৫ সালে দেশে চিকুনগুনিয়ার ভয়াবহ পুনরুত্থান ঘটে। ট্রপিক্যাল ডিজিজ অ্যান্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. মোহাম্মদ জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গত ১৭ এপ্রিল জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইনফে্কাশাস ডিজিজেসের (ইএসসিএমআইডি) বৈশ্বিক সম্মেলনে এই গবেষণাটি উপস্থাপিত হয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের নির্দিষ্ট কোনো টিকা বা ওষুধ নেই। এর প্রধান চিকিৎসা হলো উপসর্গ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া। গবেষকরা জানান, পুরুষদের তুলনায় নারীরা এই রোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ভবিষ্যতে এই রোগের সঠিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আরও নিবিড় গবেষণার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।