আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের নাগরিকদের পেট্রল ও ডিজেলের ব্যবহার কমানোর জরুরি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সোমবার (১১ মে) হায়দরাবাদে এক জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিস-আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন কৌশলের পরামর্শ দেন।
জ্বালানি সাশ্রয়ের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মোদি স্কুলগুলোকে সাময়িকভাবে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে বলেন। তিনি বলেন, “আমি স্কুলগুলোর কাছে আবেদন করব, তারা যেন কিছু সময়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিয়ে কাজ করে।” একইসাথে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভার্চ্যুয়াল মিটিং ও ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করেন তিনি।
জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে নাগরিকদের মেট্রো রেল, বৈদ্যুতিক যান এবং কারপুলিং ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। এছাড়াও বর্তমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কথা বিবেচনা করে সোনা আমদানিতে চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা এবং বিদেশ ভ্রমণ সীমিত করারও অনুরোধ জানান তিনি।
ভারত তার প্রয়োজনীয় তেলের প্রায় ৮৫ শতাংশই আমদানি করে, যার একটি বড় অংশ আসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ইরান এই রুটে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৫ ডলার ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই মোদি নাগরিকদের এই কৃচ্ছ্রসাধনের পরামর্শ দিলেন।