নিহতরা হলেন— অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের বড় মেয়ে মীম (১৫), ছোট মেয়ে মারিয়া (৮), দুই বছরের শিশুপুত্র ফরিদ এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (২২)।
ঘটনাস্থলে যাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত লোমহর্ষক। তিন শিশু সন্তানের গলাকাটা লাশ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। শারমিনের ভাই রসুলের লাশ ছিল বিছানার ওপর। অন্যদিকে, শারমিনের হাত-মুখ বাঁধা নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায় জানালার পাশে। স্থানীয়দের ধারণা, শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে কোনো এক সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িটি ভাড়া নেন। প্রতিবেশীদের মতে, ফোরকান ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। কাপাসিয়া থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে পারিবারিক বিরোধের জেরেই ফোরকান মিয়া এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। অভিযুক্ত ফোরকান মিয়াকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে অভিযানে নেমেছে। এ ঘটনায় কাপাসিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।