চার দিন পর দিনাজপুরে উঠল সূর্য, কিছুটা বেড়েছে তাপমাত্রা। যদিও শীতে স্বস্তি নেই কারোরই। বিশেষ করে, হিমেল বাতাসের কারণে কষ্ট পেতে হচ্ছে মানুষকে।
গত শনিবার থেকে টানা ৪ দিন সূর্য ওঠেনি উত্তরের জেলা দিনাজপুরে। ছিল কনকনে হিমেল বাতাস। ফলে জনজীবন একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
তবে চার দিন পর আজ বুধবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে সূর্যের দেখা মিলেছে। যদিও তাপ বিকীরণ একেবারেই কম, রশ্মি ছড়াচ্ছে না ঠিকভাবে। ফলে গত কয়েকদিনের শীতের যে জবুথবু অবস্থা তা এখনও রয়েই গেছে। তবে গতকালের চেয়ে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে।
আজ বুধবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (সকাল ৬টায়) রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৯১ শতাংশ। এর আগে গতকাল এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিনাজপুর মডার্ন মোড় এলাকায় কথা হয় অটোরিকশাচালক সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরে অবস্থা খুব খারাপ। এত ঠান্ডায় কাজ করা অসহ্য হয়ে পড়েছে। ফলে আয়-উপার্জন কমেছে, জীবন চলাটাও মুশকিল হয়ে গেছে।
ওই এলাকার ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে রোদ না থাকায় ঠান্ডা বেড়েছে। যদিও আজ রোদ উঠেছে কিন্তু সেইভাবে না। মাঝেমধ্যেই মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়ছে সূর্য।’
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, গত কয়েকদিনে দিনাজপুরে দিনের তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান মাত্র ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর এ কারণেই মূলত শীতের অনুভূতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান যত কম হয় শীতের অনুভূতি তত তীব্র হয়।
চলমান এই আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এ সময়ের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত বা কিছুটা হ্রাস বা বৃদ্ধি হতে পারে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন