ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোঃ শাহরিয়ার (সোহেল), বিশেষ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বোরো মৌসুমের ভরা সময়ে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের সিন্ডিকেট সারের চড়া দাম হাঁকানোয় ফসল উৎপাদন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রান্তিক চাষীরা।
কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারদের গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকলেও তারা সাধারণ কৃষকদের 'সার নেই' বলে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। অথচ অতিরিক্ত টাকা দিলেই পেছনের দরজা দিয়ে সেই সার বিক্রি করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী এক কৃষক জানান:
"দোকানে গেলে বলে সার নাই, কিন্তু ১,৩০০ টাকা দিলে ডিএপি সারের বস্তা বের করে দেয়। আবার বেশি দামের রসিদ চাইলে তারা সার বিক্রি করতে চায় না।"
রাসায়নিক সারের চড়া দাম ও সংকটের কারণে খরচ কমাতে নিয়ামতপুরের অনেক কৃষক এখন বিকল্প হিসেবে জমিতে জৈব সার বা 'পাউস' ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। কৃষি কর্মকর্তারাও মাটির উর্বরতা রক্ষায় সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ এবং অতিরিক্ত ইউরিয়া ব্যবহার পরিহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।
কৃষি বিভাগ জেলায় সারের কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করলেও মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের ভোগান্তি কমছে না। নওগাঁর পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হলেও নিয়ামতপুরে সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয়। কৃষকনেতা মোঃ সাকিব হাসান অবিলম্বে সার বাজারে কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ