দল বদলে বিএনপিতে যোগ দিয়েও কপাল খোলেনি যাদের

দল বদলে বিএনপিতে যোগ দিয়েও কপাল খোলেনি যাদের

সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের রাজনৈতিক মাঠে নানারকম রূপান্তর দেখা গেছে। দল বিলুপ্ত করে বড় দলের ছাতার নিচে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা সবচেয়ে আলোচিত। 

২০২৫ সালে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী জোট গঠন করা হলেও ভোটে লড়তে হবে নিজ দলের প্রতীক নিয়ে। ছোট দলগুলো এ নিয়মে বিপাকে পড়ে। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আশায় তারা দল বিলুপ্ত করে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপিতে যোগ দেন। তবে সকলের কপাল খুলে ওঠেনি।

সৈয়দ এহসানুল হুদা: বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন। কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর ও নিকলী) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়েন, ৬৬,৪৫০ ভোট পান; হারেন ৭৯,৬০৪ ভোট পাওয়া শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের কাছে।

ড. রেদোয়ান আহমেদ: লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়েন, ৪৭,৯২৫ ভোট পান; হারেন ৯০,৮১৯ ভোট পাওয়া আতিকুল আলম শাওনের কাছে।

রাশেদ খান: গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন। ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়েন; ৫৬,২২৪ ভোট পান; তৃতীয় হয়ে হারেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবু তালেবের কাছে (১,৫৯,৯৯৯ ভোট)।

ফরিদুজ্জামান ফরহাদ: ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন। নড়াইল-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়েন; ৪৫,৪৬৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। জয়ী হন জেলা জামায়াতের প্রার্থী আতাউর রহমান (১,১৮,১৪২ ভোট)।

রশীদ বিন ওয়াক্কাস: জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশের নেতা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হলেও যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ৫৫,৪১৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন।

অন্যদিকে, দলবদলের খেলা থেকে সাফল্যও এসেছে। শাহাদাত হোসেন সেলিম লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়ে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হন। ড. রেজা কিবরিয়া হবিগঞ্জ-১ আসনে জয় পান। এছাড়া এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজও দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে নির্বাচিত হন।

আই.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন