ধানমন্ডির দুই খেলার মাঠ ব্যবহারে দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ণ
ধানমন্ডির দুই খেলার মাঠ ব্যবহারে দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ (আবাহনী মাঠ) ও ধানমন্ডি মাঠ সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন সমঝোতা স্মারকে নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমসহ উভয় মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, সরকার প্রতিটি পাড়া ও মহল্লায় খেলার সুযোগ তৈরি এবং ক্রীড়া চর্চাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে খেলার মাঠের সংকট দূর করতে গণপূর্তের মালিকানাধীন মাঠগুলোকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তর করা হচ্ছে, যাতে সর্বস্তরের মানুষের বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলার সুযোগ নিশ্চিত হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ক্লাবগুলোর রাজনৈতিকীকরণ দূর করে নিরপেক্ষ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো তৈরি এবং মাঠ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, ধানমন্ডি মাঠে আর্চারি ও শুটিংয়ের পরিকাঠামো এবং আবাহনী মাঠের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সংস্কার করা হবে। আবাহনী মাঠ ব্যবহারের সুযোগ পাবে এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে এই উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করে ঢাকার অন্যান্য গণপূর্তের মাঠগুলোকেও পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।

স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় মাঠ দুটির সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তির মেয়াদ নবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এআইএল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন