আবারও ফেঁসে যাচ্ছেন গাজী নজরুল, বিস্ফোরক দাবি গাড়িচালকের

প্রকাশ: শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ণ
আবারও ফেঁসে যাচ্ছেন গাজী নজরুল, বিস্ফোরক দাবি গাড়িচালকের

সকালবেলা ডেস্ক: অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জেনে ফেলার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের (৭৫) বিরুদ্ধে প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ এনেছেন তাঁর সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুর রহমান।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুর রহমান এই অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও হামলার প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, গাজী নজরুলের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হলে ওই তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন তিনি। তরুণীর আত্মীয় ওবায়দুর অভিযোগ করেন, গত ১৮ জুন তিনি প্রথম এই অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন এবং ২০ জুন তরুণীকে নিয়ে এমপি হোস্টেলে সরাসরি কথা বলতে গেলে গাজী নজরুল সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তখন বিষয়টি চেপে যেতে তাঁকে অর্থ ও গাড়িচালকের চাকরির প্রলোভন দেওয়া হয়।

ওবায়দুর রহমান আরও জানান, গত ৬ থেকে ১৩ জুলাই গাজী নজরুলের সঙ্গে অবস্থানকালে তিনি বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে ২২ জুন মেট্রোরেলের পল্লবী স্টেশনের এক কফি শপে এবং ৯ জুলাই মিরপুরে তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখার সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

গাড়িচালকের দাবি, ১৩ জুলাই মগবাজারের একটি রেস্টহাউস থেকে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টার পর ওই রাতে তরুণীকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনার পর খিলক্ষেতে তরুণীর বাবা ও আমিনুর নামের একজন তাঁর ওপর হামলা চালান এবং গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং ২১ জুলাই পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ২ আগস্ট ওবায়দুরের বিরুদ্ধে নারী অপহরণ ও পাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে। মামলা তুলে নিতে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়ায় তাঁর পরিবারকে ঘর ছাড়তে হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি গত ২০ আগস্ট পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি জানান।

এআইএল/সকালবেলা


মন্তব্য করুন