অফিস সময়ে চিকিৎসকেরা ক্লিনিকে গেলে ধরবে গোয়েন্দা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অফিস সময়ে চিকিৎসকেরা ক্লিনিকে গেলে ধরবে গোয়েন্দা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা অফিস সময়ে বেসরকারি ক্লিনিকে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখছেন কি না, তা নজরদারিতে গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

শরীয়তপুরের চিকিৎসকের নিবন্ধন স্থগিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত ৪ মার্চ শরীয়তপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট রাজেশ মজুমদার বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে অফিস সময়ে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী দেখতে যান। এই অপরাধে তাঁর বিএমডিসি (BMDC) নিবন্ধন ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এবং কেন তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হবে না, তা তিন দিনের মধ্যে জানাতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি ক্লিনিকটির কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে।

সরকারি ওষুধ বিক্রিতেও কড়া নজরদারি হাসপাতালের বিনামূল্যে বিতরণের সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি বন্ধেও গোয়েন্দা সহায়তা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, “জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকার মতো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধে ‘বিক্রির জন্য নয়’ এমন বিশেষ চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ তা বাইরে বিক্রি করতে না পারে”। চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে গোপন গোয়েন্দা কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে এবং দ্রুতই মেডিকেল পরীক্ষার ফি নির্ধারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন