ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
লাইফস্টাইল ডেস্ক: শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। তবে ঘুমের সময় শোয়ার ভঙ্গি বা শরীরের অবস্থান কেমন হবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই দ্বিধা রয়েছে। বিশেষ করে ঘাড় ও মেরুদণ্ডের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে বালিশ ব্যবহার করা কতটা জরুরি, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন। ‘বোল্ড স্কাই’ এর এক প্রতিবেদন অবলম্বনে এর বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:
বালিশ ব্যবহার করে ঘুমানোর উপকারিতা: ১. সঠিক পজিশন: বালিশের প্রধান কাজ হলো ঘাড় ও মেরুদণ্ডকে সঠিক অবস্থানে রাখা। সঠিক উচ্চতার বালিশ ঘাড়ের প্রাকৃতিক বক্ররেখাকে ধরে রাখে, যা ঘাড় ব্যথা বা শক্ত হওয়া রোধ করে। ২. অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা: বাজারে বর্তমানে অ্যান্টি-অ্যালার্জেনিক বালিশ পাওয়া যায়, যা ধুলিকণা ও অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা দেয়। এটি শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য উপকারী। ৩. মানসিক প্রশান্তি: আরামদায়ক বালিশ মাথা ও ঘাড়কে বিশ্রাম দেয়, যা ঘুমের মান উন্নত করতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। ৪. সাইনোসাইটিসের উপশম: যাদের সাইনাস বা দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা আছে, তাদের জন্য মাথা সামান্য উঁচুতে রেখে ঘুমানো চাপের উপশম ঘটায়।
বালিশ ছাড়া ঘুমানোর উপকারিতা: ১. মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক অবস্থান: বালিশ ছাড়া ঘুমালে মেরুদণ্ড তার প্রাকৃতিক অবস্থানে থাকে। এটি অনেকের ক্ষেত্রে ঘাড় বা পিঠের ব্যথা কমাতে সহায়ক হতে পারে। ২. ত্বকের সুরক্ষা: বালিশে মাথা রাখলে মুখে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়। বালিশ ছাড়া ঘুমালে ত্বকে এই চাপ কমে, যা ব্রণের সমস্যা বা বলিরেখা রোধে কাজ করে। ৩. রক্ত সঞ্চালন: বালিশ ছাড়া ঘুমালে ঘাড় ও মাথায় রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয়, যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীর সতেজ লাগে।
কোনটি বেশি উপকারী? আসলে বালিশ ব্যবহার করা বা না করা সম্পূর্ণ নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক গঠন, ঘুমের অভ্যাস এবং শারীরিক সমস্যার ওপর। যদি আপনার ঘাড় বা পিঠের ব্যথার সমস্যা থাকে, তবে সঠিক উচ্চতার একটি আরামদায়ক বালিশ ব্যবহার করা শ্রেয়। আবার যদি আপনি বালিশ ছাড়া ঘুমাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকে, তবে সেটিও আপনার জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ