পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ছাড়াই মেরামত: নাসিরনগরের ‘মুক্তির সড়ক’ নিয়ে অনিশ্চয়তা

পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ছাড়াই মেরামত: নাসিরনগরের ‘মুক্তির সড়ক’ নিয়ে অনিশ্চয়তা

সামজাদ জসি, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের একমাত্র প্রধান চলাচলের পথ ‘মুক্তির সড়ক’ সংস্কার নিয়ে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির মেরামতের কাজ বর্তমানে চলমান থাকলেও পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না রাখায় স্থানীয়দের আশঙ্কা— সংস্কারের ৩ মাসও টিকবে না এই রাস্তা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের উভয় দিকে ঘন জনবসতি থাকায় বৃষ্টির পানি বা গৃহস্থালির পানি নামার কোনো জায়গা নেই। ফলে পানি সড়কেই জমে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতেও একাধিকবার সড়কটি মেরামত করা হয়েছিল, কিন্তু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় মাত্র ৩-৪ মাসের মাথায় পিচ ঢালাই উঠে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এবারও সেই একই ত্রুটি রেখে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করার তোড়জোড় চলছে।

সড়কের বিশেষ কিছু অংশ রয়েছে যেখানে পানি জমে থাকার কারণে প্রতিবারই দ্রুত নষ্ট হয়। এই পয়েন্টগুলো হলো:

  • পূর্ব দিকে: ধরমন্ডল দাখিল মাদরাসার সামনে, আঃ রশিদের বাড়ির সামনে, আঃ কাদির মেম্বারের বাড়ির সামনে ও ফটিক চাঁনের বাড়ির সামনে।

  • পশ্চিম দিকে: কদমতলী কবরস্থান, কাজী বাড়ি গেট, কোনাগ্রাম শফিক সাহেবের বাড়ির সামনে এবং দৌলতপুর নতুন বাজারের মধ্যবর্তী অংশ।

ইউনিয়নের সচেতন ছাত্র ও সাধারণ মানুষের দাবি, শুধু লোকদেখানো মেরামত না করে স্থায়ী সমাধানের জন্য ড্রেনেজ বা পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তারা বলছেন, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করতে হলে পরিকল্পিতভাবে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা জরুরি।

দ্রুত স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি আবারও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়বে এবং বর্ষা মৌসুমে ধরমন্ডল ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছাবে।

এন.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন