ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ প্রদানের ক্ষেত্রে ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য সংরক্ষিত ১০ শতাংশ কোটা রাখার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দাওয়াতি ও মানবিক সংগঠন পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশ। সংগঠনটি এই কোটা অবিলম্বে বাতিল করার জোর দাবি জানিয়েছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘোষিত জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ নীতিমালায় মোট ২০টি পুরস্কারের মধ্যে ২টি (১০%) ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সফল আত্মকর্মী ক্যাটাগরিতে ১টি এবং যুব সংগঠক ক্যাটাগরিতে ১টি পুরস্কার রয়েছে।
ড. ফারুকী বলেন, ৯১ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত এই দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ইসলামী ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ট্রান্সজেন্ডারবাদ মানুষের স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক লিঙ্গ পরিচয়কে অস্বীকার করে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে সরকারিভাবে কেবল তিনটি জেন্ডার স্বীকৃত—নারী, পুরুষ ও হিজড়া। ‘ট্রান্সজেন্ডার’ নামে কোনো জেন্ডার এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি। স্বীকৃতির বাইরে থাকা একটি ধারণাকে কীভাবে রাষ্ট্রীয় নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে যে, হিজড়া এবং ট্রান্সজেন্ডার এক নয়। হিজড়ারা জন্মগতভাবে লিঙ্গগত প্রতিবন্ধিতার শিকার এবং তাদের পুনর্বাসন রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডার একটি ভিন্ন মতবাদ, যেখানে জন্মগত সুস্থ মানুষ নিজের লিঙ্গ পরিচয় পরিবর্তনের দাবি করে।
পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের দাবিসমূহ
১. নীতিমালা সংশোধন: জাতীয় যুব পুরস্কার নীতিমালা (সংশোধিত) ২০২৬ থেকে ট্রান্সজেন্ডার কোটা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২. নীতিগত ঘোষণা: সরকার স্বীকৃত জেন্ডার কাঠামোর বাইরে কোনো পরিচয়কে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা, কর্মসূচি বা পুরস্কার ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত না করার স্পষ্ট ঘোষণা দিতে হবে।
বিবৃতিতে শায়খ ড. শহীদুল ইসলাম ফারুকী আশা প্রকাশ করেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক বাস্তবতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে দ্রুত এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ