বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বেগম খালেদা জিয়াসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
পুরস্কারের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
সর্বোচ্চ সম্মাননা: ১৯৭৭ সাল থেকে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে।
বেগম জিয়ার অবদান: প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে।
প্রদান অনুষ্ঠান: প্রতি বছরের মতো ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করেছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম কান্ডারি হিসেবে কাজ করেছেন। গত বছর তাঁর প্রয়াণের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে শোকের ছায়া নেমেছিল, এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা তাঁর সেই আজীবন সংগ্রামেরই স্বীকৃতি।
এন.এ/সকালবেলা