ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আব্দুল্লাহ আল মামুন, যশোর: যশোরের মণিরামপুরে বিএনপির একটি ওয়ার্ড কার্যালয় ভাঙচুর ও দলের প্রতিষ্ঠাতা থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতাদের ছবি ছিঁড়ে বাইরে ছুঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি আলিম মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে শ্যামকুড় ইউনিয়নের সুন্দলপুর বাজারে ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্দলপুর বাজারে অবস্থিত ওই দলীয় কার্যালয় থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত-এর ছবি দেয়াল থেকে খুলে অবমাননাকরভাবে বাইরে ছুঁড়ে ফেলা হয়। একইসঙ্গে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশীদ মিন্টু বলেন, ‘গতকালও আমাদের অফিস খোলা ছিল। আজ এসে দেখি সব এলোমেলো পড়ে আছে, নেতাদের ছবি বাইরে ডাস্টবিনে ফেলার মতো করে রাখা হয়েছে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সঠিক বিচার চাই।’ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ দলীয় নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মো. আব্দুল ওয়াদুদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে মণিরামপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাকে উদ্ধার করে।
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মফিজুর রহমান মফিজ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘শান্ত পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতেই এ ধরনের দুঃখজনক ও নিন্দনীয় কাজ করা হয়েছে।’ তবে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মো. আব্দুল ওয়াদুদ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ঘরটি খালি করার বিষয়ে শুধু কথা বলতে গিয়েছিলাম। ভাঙচুর বা ছবি সরানোর সাথে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই।’
মণিরামপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ