মোল্লা মো: আরিফুল ইসলাম, নাটোর প্রতিনিধি: নাটোর সদর উপজেলায় বেগুনক্ষেতের আড়ালে কৌশলে গাঁজা চাষের সন্ধান পেয়েছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আজ শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে নাটোর সদর উপজেলার ছোট হরিপুর গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। নাটোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল ছোট হরিপুর গ্রামের মৃত আলেপ আলীর ছেলে মানিক প্রামাণিকের বেগুনক্ষেতে অভিযান চালায়। সেখানে বেগুন গাছের মাঝখানে কৌশলে রোপণ করা তিনটি গাঁজার গাছ শনাক্ত করে তা জব্দ করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মানিক প্রামাণিক দীর্ঘদিন ধরে গোপনে তাঁর জমিতে সবজি চাষের আড়ালে গাঁজা চাষ করে আসছিলেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে এনএসআই গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর আজ দুপুরে সেখানে আকস্মিক অভিযান চালানো হয়। সাধারণ কৃষিজমিতে গোপনে মাদকজাতীয় গাছের চাষের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নাটোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খন্দকার নাজিম উদ্দিন বলেন, “এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে বেগুনক্ষেত থেকে তিনটি গাঁজার গাছ উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান বাস্তবায়নে আমাদের এই ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রীফা রাওনাক নীতু জানিয়েছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মাদক চাষ বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এআইএল/সকালবেলা