ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্তে মায়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী হুজাইফা সুলতানা আফনান ২৭ দিন ধরে চিকিৎসা চলার পর মারা গেছেন। ঢাকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
হুজাইফার সঙ্গে থাকা চাচা শাখাওয়াত মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরিবার সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে দীর্ঘ ২৭ দিন আইসিইউতে চিকিৎসা চললেও গুলি বের করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হার মানে ৯ বছর বয়সী শিশুটি।
চাচা শাখাওয়াত বলেন, প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হলে হয়তো হুজাইফাকে বাঁচানো যেত। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। হুজাইফার মৃত্যুতে তার বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
হুজাইফার মা সুমাইয়া আক্তার বলেন, “ও আমার কলিজার পুতুলি। আজ কিছুই নেই।” বাবা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, “প্রতিদিন মেয়ে জিজ্ঞেস করত—বাবা কোথায়? এখন সেই ডাক আর শুনব না।” ফুফু নাছিমা আক্তার অভিযোগ করেছেন, সীমান্তে নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে এবং রাষ্ট্রের উচিত ছিল তার চিকিৎসার পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া।
উল্লেখ্য, ১৩ জানুয়ারি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছা ব্রিজ এলাকায় মায়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় হুজাইফা আফনান। সে লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা এবং লম্বাবিল হাজী মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ