ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সংলাপে যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের প্রতিনিধিদল। চলমান সংকট নিরসনে শনিবারের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে চারটি বিষয় বিশেষভাবে আলোচনায় আসছে:
১. পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা: গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে। ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ইরানকে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি ভালো বোঝেন, যা আলোচনায় সহায়ক হতে পারে।
২. ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পক্ষ থেকে একটি ১০ দফা প্রস্তাব পেয়েছে। ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে ‘আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা দীর্ঘমেয়াদী শান্তি স্থাপনের পথে একটি ইতিবাচক সংকেত।
৩. ১৫ দফা প্রস্তাব ও মতপার্থক্য: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আরও একটি ১৫ দফা প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্পের প্রধান আলোচকদের মতে, এই প্রস্তাব সংঘাতের সমাধান দিতে পারে। যদিও কোনো পক্ষই প্রস্তাবগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি, তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে যে, দুই পক্ষের মূল অবস্থানের মধ্যে এখনও বেশ বড় ব্যবধান রয়েছে।
৪. লেবানন পরিস্থিতি ও ইসরায়েলের ভূমিকা: লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় শান্তি আলোচনার ওপর এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, বর্তমান যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। গত বুধবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে শুক্রবার লেবানন জানিয়েছে, তারা আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় বসতে পারে। সূত্র: বিবিসি।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ