ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে সুরের মেলা ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

প্রকাশ: রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে সুরের মেলা ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

অনলাইন ডেস্ক:  বর্ষার চিরচেনা আবহে সুর ও সংস্কৃতির এক অপূর্ব মেলবন্ধনে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক উৎসব ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’। মনোমুগ্ধকর এই সাংস্কৃতিক আয়োজনে রবীন্দ্রসংগীত, শাস্ত্রীয় সংগীত ও গজলের নান্দনিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো হাইকমিশন প্রাঙ্গণ।

শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংগীত ঐতিহ্য এবং দুই দেশের মধ্যকার অভিন্ন ও গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনকে যৌথভাবে উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে আগত দুই দেশের আমন্ত্রিত অতিথি ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের আন্তরিক স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে উপমহাদেশীয় সংস্কৃতিতে বর্ষা ঋতুর সুগভীর সাংস্কৃতিক তাৎপর্য অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, যুগ যুগ ধরে বর্ষা এই অঞ্চলের কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীতশিল্পী ও চিত্রশিল্পীদের সৃষ্টিশীলতায় এক বিশেষ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। সেই হাজার বছরের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানে বাংলা ও হিন্দি ভাষার বর্ষাভিত্তিক একগুচ্ছ নির্বাচিত গান পরিবেশন করা হয়, যেখানে প্রকৃতি, মানবিক অনুভূতি এবং শ্রাবণের চিরন্তন আবহ দারুণভাবে ফুটে ওঠে।

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার শুরুতে প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিল্পী গুরু অনিল কুমার সাহা ও অলোক কুমার সেন উচ্চাঙ্গের হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন করে হলভর্তি দর্শকদের মুগ্ধ করেন। এরপর মঞ্চে আসেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও প্রথিতযশা গবেষক চঞ্চল খান। তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একাধিক বর্ষা ও প্রকৃতির কালজয়ী গান পরিবেশন করে দর্শকদের সুরের সাগরে ভাসিয়ে দেন। দুই দেশের কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে এই আয়োজনটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মন্তব্য করুন