নোবিপ্রবির নতুন উপাচার্যের কাছে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নবনিযুক্ত সপ্তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তাঁর এই নিয়োগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। নতুন উপাচার্যের যোগদানের পর ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে নিজেদের নানামুখী প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইজা কাদের চৌধুরী বলেন, “একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে প্রধান প্রত্যাশা হলো শিক্ষার মান উন্নয়ন, সেশনজট নিরসন ও নিরাপদ পরিবেশ। বিশেষ করে হলের আবাসন সংকট, খাবারের মান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। নতুন উপাচার্য মহোদয় শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যাগুলো শুনে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে বিশ্বাস করি।”
অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান তাঁর প্রত্যাশা তুলে ধরে বলেন, “নতুন ভিসির দূরদর্শী নেতৃত্বই পারে নোবিপ্রবিকে একটি বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে। আমরা চাই ক্যাম্পাসে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হোক। সেই সাথে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিকীকরণ এবং ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশনের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হোক।”
ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের নতুন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারিহা হোসেন বলেন, “১০১ একরের এই ক্যাম্পাসে নতুন ভিসি স্যারকে স্বাগতম। বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থাকলেও আমাদের উপযোগী নানা সুবিধার অভাব রয়েছে। যেমন ট্যুরিজম শিক্ষার্থীদের জন্য ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাকশন ল্যাব, আধুনিক লাইব্রেরি ও নিজস্ব ল্যাব প্রয়োজন। পাশাপাশি বাস মেরামত ও একাডেমিক-৩ ভবনের জটিলতা দ্রুত নিরসন করা দরকার।”
বাংলা বিভাগের মো. ইমরান বিগত সময়ের কর্মচাঞ্চল্য ও উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের পারভেজ খান শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকট দূর করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নতুন উপাচার্য ছাত্রকল্যাণমূলক কার্যক্রম, যেমন—স্কলারশিপ, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, হলের খাবারের মান বৃদ্ধি এবং ক্যারিয়ার কাউন্সেলিংয়ের মতো বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেবেন। একই সঙ্গে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।”
এ.আই.এল/সকালবেলা
|