ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদনা খালের ওপর নির্মিত একটি বাঁশের সাঁকোই এখন তিন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের নিত্যদিনের আতঙ্ক। উপজেলার বাইশগাঁও, মড়হ ও গাঞ্জিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াতের আর কোনো বিকল্প পথ না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই নড়বড়ে সাঁকোটিই ব্যবহার করতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থী ও কৃষকদের দুর্ভোগ: স্থানীয়রা জানান, খালের একপাশে রয়েছে বাইশগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অন্যপাশে কয়েক শ হেক্টর ফসলি জমি। প্রতিদিন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে এবং কৃষকদের মাঠে কাজ করতে এই সাঁকো পার হতে হয়। নড়বড়ে এই সাঁকোটি পার হওয়ার সময় অনেক শিক্ষার্থী ভয়ে কান্নাকাটি করে, এমনকি বই-খাতা নিয়ে খালে পড়ে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনাও ঘটেছে।
** এলাকাবাসীর বক্তব্য:** বাইশগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান ও কৃষক সুমন পাটোয়ারী জানান, প্রতি বছর গ্রামবাসী নিজেদের উদ্যোগে চাঁদা তুলে সাঁকোটি মেরামত করেন। কিন্তু দীর্ঘ খালের ওপর এই বাঁশের কাঠামোটি এখন আর নিরাপদ নয়। একটি স্থায়ী পাকা সেতু হলে যেমন শিক্ষার পথ সুগম হতো, তেমনি কৃষকরাও অনায়াসে তাঁদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারতেন।
বিদ্যালয় ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া: বাইশগাঁও পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকোটির কারণে অনেক সময় অভিভাবকরা ছোট শিশুদের একা স্কুলে পাঠাতে ভয় পান। শিক্ষার পরিবেশ ও নিরাপত্তার স্বার্থে এখানে দ্রুত একটি সেতু প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, “নদনা খালের ওপর সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুতই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ