ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নাজমুল হাসান, মাদারীপুর: মাদারীপুর জেলা পরিষদের নির্মিত যাত্রী ছাউনিগুলো যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দিন দিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য তৈরি এসব স্থাপনা এখন স্থানীয় প্রভাবশালীদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। কোথাও ওষুধের দোকান, আবার কোথাও ভ্রাম্যমাণ সেলুন বসিয়ে দখল করে রাখা হয়েছে সরকারি এই সম্পদ।
সরেজমিনে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে যাত্রীদের সুবিধার্থে ছয়টি ছাউনি নির্মাণ করে জেলা পরিষদ। কিন্তু নির্মাণের কয়েক বছর পার না হতেই এগুলো ব্যবহারের উপযোগিতা হারিয়েছে।
রাজৈর উপজেলার সাধুর ব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মিত যাত্রী ছাউনিটিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অবাধে চলছে ওষুধ ও সেলুন ব্যবসা। সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকার ছাউনিটির অবস্থা আরও শোচনীয়। সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, অনেক জায়গায় ফাটল ধরেছে। যাত্রী ছাউনিগুলোতে নেই কোনো আলোর ব্যবস্থা কিংবা শৌচাগার।
মাদারীপুর শহরের হাজির হাওলা গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বলেন, “পদ্মা সেতু চালুর পর এই মহাসড়কে ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়েছে। কিন্তু যাত্রীদের বিশ্রামের জায়গাগুলো এখন দখলদারদের হাতে। নারী ও শিশুদের নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করা এখন কষ্টকর হয়ে পড়েছে।” বাসের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রী হানিফ মিয়া অভিযোগ করেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় স্থানীয়রা এসব ছাউনি দখল করে ব্যবসা করার সাহস পাচ্ছে।
এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার হোসেন শাহীন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু লোক যাত্রী ছাউনিগুলো দখল করে রেখেছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। ইতিমধ্যে তাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এসব স্থাপনা দখলমুক্ত করে সংস্কারের মাধ্যমে যাত্রীদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।”
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ