সঠিক তাপমাত্রা নির্ধারণ: ফ্রিজের সাধারণ অংশের জন্য ৩°সে থেকে ৫°সে এবং ফ্রিজারের জন্য -১৮°সে তাপমাত্রা আদর্শ। এর চেয়ে বেশি ঠান্ডা করলে কম্প্রেশারের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং বিদ্যুৎ অপচয় হয়। পরিমিত খাবার রাখা: ফ্রিজ একদম খালি না রেখে মাঝারি পূর্ণ রাখুন, কারণ ভেতরের খাবার ঠান্ডা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত খাবার বোঝাই করবেন না, যাতে বাতাস চলাচলের পথ বন্ধ না হয়। নিয়মিত ডিফ্রস্ট করা: ফ্রিজারে বরফের স্তর ০.৬ সেন্টিমিটারের বেশি হয়ে গেলে তা ইনসুলেশন হিসেবে কাজ করে এবং বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায়। তাই নিয়মিত ডিফ্রস্ট করা জরুরি। দরজার সিল বা গ্যাসকেট পরীক্ষা: ফ্রিজের দরজার রাবার বা সিল নষ্ট হয়ে গেলে ভেতরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়। সিলটি ঠিক আছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। বারবার দরজা না খোলা: যতবার ফ্রিজের দরজা খোলা হয়, বাইরের গরম বাতাস ভেতরে ঢোকে। তাই পরিকল্পনা করে একসঙ্গে প্রয়োজনীয় জিনিস বের করে নিন। সঠিক স্থানে ফ্রিজ স্থাপন: ওভেন, চুলা বা সরাসরি রোদ পড়ে এমন জায়গায় ফ্রিজ রাখবেন না। দেয়াল থেকে অন্তত কয়েক ইঞ্চি দূরে রাখুন যাতে বাতাস চলাচলের জায়গা থাকে।ভারী কভার এড়িয়ে চলা: ফ্রিজের ওপর বা চারপাশে ভারী কভার ব্যবহার করলে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয় এবং তাপ আটকে যায়, ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।অপ্রয়োজনীয় খাবার সরানো: ফ্রিজে অতিরিক্ত বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার জমিয়ে রাখবেন না। এতে ফ্রিজের ভেতর এয়ারফ্লো বা বাতাস চলাচল উন্নত হয়। খাবার ঢেকে রাখা: খাবার সবসময় এয়ারটাইট পাত্রে রাখুন। খোলা খাবার থেকে নির্গত আর্দ্রতা কম্প্রেশারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। গরম খাবার সরাসরি না রাখা: রান্না করা গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না। খাবার ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসার পর ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন। কনডেন্সার কয়েল পরিষ্কার রাখা: ফ্রিজের পেছনে থাকা কনডেন্সার কয়েলে ধুলোবালি জমলে তাপ নিঃসরণে বাধা পায়। তাই নিয়মিত এই অংশটি পরিষ্কার রাখুন। ইনভার্টার প্রযুক্তির ফ্রিজ: পুরানো ফ্রিজ সাধারণত বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। বর্তমানে ইনভার্টার বা স্মার্ট সেন্সরযুক্ত ফ্রিজ ব্যবহারের ধরণ বুঝে শীতলীকরণ নিয়ন্ত্রণ করে, যা বিদ্যুৎ বিল অনেক কমিয়ে আনে।
জান্নাত/সকালবেলা