ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মো: মামুন রহমান, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পুনর্নির্ধারণ করলেও পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাজারগুলোতে তার কোনো প্রতিফলন নেই। সরকারি নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে সিলিন্ডার প্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ উঠেছে খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে।
উপজেলার ফকিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার। হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।
খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, তারা ডিলারদের কাছ থেকেই বেশি দামে সিলিন্ডার কিনছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বিক্রেতা বলেন:
"ডিলাররা আমাদের সরকারি রেটে সিলিন্ডার দিলে আমরাও ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করতে পারব। ডিলারদের কাছ থেকে কেনা দামের ওপর সামান্য লভ্যাংশ, পরিবহন খরচ ও কমিশন যোগ করে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া আমাদের হাতে কোনো উপায় নেই।"
সরকারি দরের সাথে বাজারের বিস্তর ব্যবধানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। একজন ভুক্তভোগী ক্রেতা বলেন, "পত্রিকায় দেখি দাম কমেছে, কিন্তু দোকানে আসলে শুনতে হয় উল্টো কথা। এখানে সরকারের কোনো দপ্তর বা ভোক্তা অধিকারের তদারকি চোখে পড়ে না। প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা আমাদের পকেট কাটছে।" নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও অভিযানের মাধ্যমে স্বস্তি ফেরানোর দাবি জানান তিনি।
এলপিজি গ্যাসের দাম নিয়ে এই নৈরাজ্যের বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাসুমউদৌলাহ বলেন:
"আমি ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়—এই দুই জেলার দায়িত্বে আছি, তাই সব জায়গায় একসাথে অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে আমরা বাজার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। অতি দ্রুত বিভিন্ন বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের অতিরিক্ত দাম নেওয়ার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।"
আটোয়ারীর সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত কঠোর আইনি পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও চরমে পৌঁছাবে।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ