ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীনের কাছে এখনো চিঠি পৌঁছায়নি। তিনি বলেন, চিঠি আজ (রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি) আসতে পারে।
অন্যদিকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে সোমবার বা মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই দিনে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও শপথ গ্রহণ হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জানায়, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে তিন থেকে চার দিন লাগতে পারে। এই সময়সীমা শেষ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে বিদায়ী স্পিকারের মাধ্যমে। এই দায়িত্বে রয়েছেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। তবে তার পদত্যাগের পর প্রকাশ্যে না আসায় বিষয়টি অনিশ্চিত। নিয়ম অনুযায়ী, তিন দিনের মধ্যে স্পিকার শপথ না পড়ালে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে সিইসি দায়িত্ব নিতে পারেন।
বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু হত্যা মামলায় কারাগারে থাকায় বিকল্প সাংবিধানিক পথও জটিল। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে স্পিকারের মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পতন ও ৬ আগস্ট সংসদ ভাঙার প্রায় দেড় বছর পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়, যার ২৯৭টির বেসরকারি ফলাফল প্রকাশিত। উচ্চ আদালতের নির্দেশে দুটি আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে।
ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। তাদের মিত্ররা পেয়েছে আরও তিনটি আসন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকরা ৯টি আসনে জয় পেয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ