ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় মোট ৪২ জন সদস্য থাকতে পারেন। এর মধ্যে বর্ষীয়ান নেতা যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং নতুন নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্যরা থাকবেন।
সূত্র বলছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেতে পারেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্ভাব্য প্রধান হবেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেতে পারে আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছে, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্ভব সালাহউদ্দিন আহমেদের, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এহসানুল হক মিলনের। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় হতে পারে ইকবাল হাসান মাহমুদের, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় মেজর হাফিজ উদ্দিন আহ্মাদের, আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা যেমন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান ও ওয়াদুদ ভূইয়ার নামও মন্ত্রিসভার আলোচনায় আছে। সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপি ফজলুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী শামা ওবায়েদ, আসাদুল হাবীব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও রকিবুল ইসলাম বকুলও সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন।
টেকনোক্র্যাট কোটায় আলোচনায় আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহ, হুমায়ূন কবীর, জিয়া হায়দার ও আমিনুল হক। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন-নবী খান সোহেলও টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকতে পারেন।
বিএনপি জোটের শরিকদের মধ্যে আলোচনায় আছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর, ববি হাজ্জাজসহ আরও কয়েকজন।
যদিও সব নাম এবং দায়িত্ব চূড়ান্ত নয়। এসব সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তখনই প্রকাশিত হবে, যখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করে বঙ্গভবন থেকে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য ডেকবেন।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ