ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটে হ্যাঁ প্রয়োজন
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বড় ধরনের রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। যদিও রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেছে, জনগণের মতামত নেওয়া এখনো বাকি। তাই জনগণের মতামত জানার জন্য গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এখানে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ দুটি ভোটের সুযোগ থাকবে।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, যারা সংস্কারের পক্ষে, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। আর যারা শেখ হাসিনার আমলের মতো দেশ পরিচালিত হোক চান, তারা ‘না’ ভোট দেবেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘গণভোট বিষয়ে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণকে ভোট দিতে দেয়নি। রাতের ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বীহীন একক নির্বাচন এবং ডামি ও ভুয়া ভোটের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। জনগণকে দীর্ঘ ১৫ বছর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে ক্ষমতা ভোগ করা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অসীম আত্মত্যাগের ফলে দেশে পুনরায় ভোটের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে; এই সুযোগ নষ্ট করা যাবে না।
উপদেষ্টা জানান, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করার জন্য সরকার কাজ করছে। নির্বাচনে যাকে ইচ্ছা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন এবং কাউকে বাধা দেওয়া হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, এবার নির্বাচনে দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটছে—প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোট দিতে পারছেন এবং প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে ড. আসিফ নজরুল বলেন, আয়নাঘর, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও গায়েবি মামলার মতো যে ব্যবস্থা ছিল, তা সংস্কারের মাধ্যমে পরিবর্তন করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, ভুল চিকিৎসার মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সভায় বগুড়া জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ