২–৩ দিনে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে নতুন কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে মধ্যপ্রাচ্যের পরাশক্তি ইরানে পুনরায় ভয়াবহ সামরিক হামলা চালানোর চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন ও বৈশ্বিক চাপের মুখে এই মুহূর্তে একটি চুক্তির জন্য পুরোপুরি মরিয়া হয়ে উঠেছে ইরান। এর ফলে খুব শিগগিরই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অবসান ঘটবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে হোয়াইট হাউজের এই কঠোর বার্তার পরপরই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাফ জানিয়েছেন, ইরানে যেকোনো মুহূর্তে পুনরায় যুদ্ধ শুরুর জন্য পেন্টাগন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধংদেহী হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানি কর্মকর্তা আরাঘচি পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে যদি পুনরায় সংঘাত শুরু হয়, তবে মার্কিন বাহিনীর জন্য এমন কিছু ‘চমক’ অপেক্ষা করছে যা তারা কল্পনাও করতে পারছে না। একই সাথে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আরও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার আগাম হুমকি দেন।
উভয় পক্ষের এই চরম উত্তেজনার মাঝেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে আলোচনার ক্ষেত্র সহজ করতে ক্রেমলিন প্রস্তুত বলে নিশ্চিত করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে, গেল ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার আসল মোটিভ নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর গোপন তথ্য ফাঁস করেছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান ইসলামি প্রজাতন্ত্র সরকারকে হটিয়ে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে পুনরায় তেহরানের ক্ষমতায় বসানোর এক গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ওই যৌথ হামলা চালিয়েছিল ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।
|