ম্যারাডোনার ভক্ত চঞ্চল চৌধুরীর আর্জেন্টিনা প্রেম

প্রকাশ: সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ণ
ম্যারাডোনার ভক্ত চঞ্চল চৌধুরীর আর্জেন্টিনা প্রেম

বিনোদন প্রতিবেদক:পর্দায় বৈচিত্র্যময় অভিনয়ে দর্শক মাতানো চঞ্চল চৌধুরী বাস্তব জীবনেও যে একজন খাঁটি ফুটবলপ্রেমী, তা তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের সবারই জানা। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে চলা ফুটবল বিশ্বকাপের তুমুল জোয়ারে পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে নেটদুনিয়া যখন প্রিয় দলের স্লোগানে উত্তাল, ঠিক তখনই নিজের ফুটবল উন্মাদনার খতিয়ান নিয়ে হাজির হলেন এই তারকা। ছোটবেলা থেকেই বিশ্ব ফুটবলের ঈশ্বর ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে আর্জেন্টিনার অন্ধ সমর্থক বনে যান তিনি, যা আজ অবধি সমান কন্ডিশনে বজায় রয়েছে।

আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘সেলিব্রিটি লাইফস্টাইল, পপ কালচার ও বিনোদন খতিয়ান’ and ‘শোবিজ গসিপ, সেলিব্রিটি লাইফ ট্র্যাকিং ও কালচারাল ইভেন্ট মনিটরিং উইং’-এর বিশেষ যৌথ বুলেটিংয়ে এই অভিনেতার ফুটবল ক্রেজ ও শৈশবের চেনা রূপকথা বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

বিনোদন জগতের অফিশিয়াল ট্র্যাকিং খতিয়ান অনুযায়ী, বর্তমানে অভিনয়ের প্রচণ্ড ব্যস্ততার কারণে চঞ্চল চৌধুরীর মাঠে নেমে ফুটবল খেলার সুযোগ একদমই হয় না। তবে শৈশবে তিনি ছিলেন মাঠ কাঁপানো এক দুর্দান্ত ফুটবলার। নিজের সোনালি অতীত স্মরণ করে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই ল্যাটিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনাকে মনে-প্রাণে সাপোর্ট করি। স্কুলজীবনে আমি নিয়মিত ফুটবল খেলতাম। পাবনার সুজানগরের উদয়পুর হাইস্কুলে যখন পড়তাম, তখন বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ও ইউনিয়নভিত্তিক বড় বড় দলের হয়ে মাঠে নামার চমৎকার মেথডলজি ছিল আমার। স্ট্রাইকার হিসেবে বেশ কিছু দর্শনীয় গোল করার মধুর স্মৃতিও আমার হৃদয়ে জমা আছে।”

অভিনেতা জানান, মাঠের খেলা থেকে দূরে থাকলেও ফুটবলকে ঘিরে ভেতরের ভেতরের টানটা এতটুকুও কমেনি। প্রতি চার বছর পর পর যখন বৈশ্বিক আসর বা বিশ্বকাপ ফিরে আসে, তখন ভেতরের সেই অবদমিত উন্মাদনা ও শৈশবের কন্ডিশন আবারও নতুন করে জেগে ওঠে।

এবারের ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রিয় দল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার প্রতিটি ম্যাচ লাইভ উপভোগ করার জন্য চঞ্চল চৌধুরী তাঁর পেশাগত কাজের জায়গায় এক বিশেষ মেথড অ্যাপ্লাই করেছেন। তিনি তাঁর চলমান নাটক ও সিনেমার শুটিং ডিরেক্টরদের সাথে কথা বলে পূর্বেই শিডিউল পরিবর্তন করে নিয়েছেন। অভিনেতার নিজের ভাষায়, “প্রিয় দল আর্জেন্টিনার ম্যাচ যেদিন থাকে, আমি চেষ্টা করি সেই দিন বা রাতে আমার অন্য কোনো প্রফেশনাল কাজ না রাখতে, যাতে সম্পূর্ণ ফ্রেশ মাইন্ডে খেলা দেখতে পারি।”

তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, গতবারের বিশ্বজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবারও আলবিসেলেস্তেরা বিশ্বমঞ্চে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেবে এবং কোটি ভক্তের মুখে হাসি ফোটাবে। তবে খেলার এই আনন্দ যেন কোনোভাবেই নেতিবাচক রেষারেষি বা মারামারির কন্ডিশনে রূপ না নেয়, সেই বিষয়ে দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেতা ভক্তদের প্রতি কড়া আইনি ও সামাজিক বার্তা দিয়েছেন। চঞ্চল চৌধুরীর মতে, ফুটবলটা হোক শুধুই সুস্থ বিনোদন। এটিকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা বা বৈরিতা তৈরি না হয়, সেই সুপরামর্শই দিয়েছেন তিনি।

জান্নাত সকালবেলা

মন্তব্য করুন